আহমেদাবাদে আফগানিস্তান–দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ ডাবল সুপার ওভারে গড়ালেও অসাধারণ বোলিংয়ের জন্য ম্যাচসেরা হয়েছেন লুঙ্গি এনগিডি।
‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচটিতে বল-বলেই পাল্টেছে দৃশ্যপট। নির্ধারিত ২০ ওভারে ম্যাচ টাই হওয়ার পর প্রথম সুপার ওভারও শেষ হয় সমতায়। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় সুপার ওভারে জয়ের হাসি হাসে এইডেন মার্করামের দল।
ম্যাচ শেষে এনগিডি বলেন, 'এমন চাপের ম্যাচ আগে খেলিনি। আজ অনেকটা ওজন কমেছে। জীবনে কোনো ক্রিকেট ম্যাচে এতটা চাপ অনুভব করিনি। শেষ পর্যন্ত জিততে পেরে ভালো লাগছে। জানতাম, হয়তো আমাকেই সুপার ওভারে বল করতে হবে। অধিনায়ক বলেছিল, পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করতে। প্রথম সুপার ওভারে প্রত্যাশামতো করতে পারিনি।'
প্রথম সুপার ওভারে এনগিডির করা ওভার থেকে আসে ১৭ রান, দুই চার ও এক ছক্কায় চাপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে মূল ম্যাচে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে কার্যকর বোলার। চার ওভারে ২৬ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।
শুরুর জুটি ভেঙে ইব্রাহিম জাদরানকে ফেরান এনগিডি। এরপর শূন্য রানে আউট করেন গুলবাদিন নাইবকে। পরে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তুলে নেন আজমাতউল্লাহ ওমরজাইয়ের উইকেটও।
তবে শেষ ওভারে কাগিসো রাবাদার খরুচে বোলিংয়ে ম্যাচ হাতছাড়া হতে বসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। ৩ বলে ২ রানের সহজ সমীকরণ মেলাতে ব্যর্থ হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।
দুই ম্যাচ মিলিয়ে এনগিডির উইকেটসংখ্যা এখন ৭। এর আগে কানাডার বিপক্ষেও ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটি তার পঞ্চম ম্যাচসেরা পুরস্কার, যার তিনটিই এসেছে বিশ্বকাপে।