গ্রিনল্যান্ডকে নিজেদের দেশের অংশ বলেই ভাবেন ডেনমার্কের বাসিন্দারা। কাগজেকলমে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ হাতে থাকলেও গ্রিনল্যান্ডকে 'স্বশাসিত' ও 'স্বার্বভৌম' হিসেবেই বিবেচনা করে কোপেনহেগেন। শীতপ্রধান দেশ হয়েও দুই অঞ্চলের মানুষের সম্পর্কে উষ্ণতার অভাব নেই।
সরকারি সংবাদমাধ্যম ডিআর-এর জরিপে জানা গেছে, ডেনমার্কের ৬০ শতাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শত্রু’ হিসেবে দেখছেন। খবর এএফপি’র।
জরিপে দেখা যায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটির পাঁচ ভাগের একভাগ মানুষও ওয়াশিংটনকে ‘মিত্র’ ভাবতে পারছেন না।
জরিপে অংশগ্রহণকারীদের সামনে প্রশ্ন ছিল, চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রকে কি মিত্র না শত্রু হিসেবে দেখছেন? জবাবে মাত্র ১৭ শতাংশ মানুষ ‘মিত্র’ জবাব দিয়েছে।
২০ শতাংশ জবাব দেন, ‘উত্তর জানা নেই’ এবং তিন শতাংশ মানুষ জবাব দিতে আগ্রহী নন বলে জানান।
জরিপটি পরিচালনা করেছে বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান এপিনিয়ন। এক হাজার ৫৩ জন ডেনমার্কবাসী এতে অংশ নেন। তাদের সবার বয়স ১৮ বছরে বেশি। ২১ থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত জরিপ চলে।
আনুষ্ঠানিকভাবে ডেনমার্কের অংশ হওয়ায় গ্রিনল্যান্ডকেও ন্যাটো সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সে ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে ওই সামরিক জোটের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ে যায়। কারণ ন্যাটোর সনদে বলা হয়েছে এক সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সব সদস্য দেশ ওই দেশকে সুরক্ষা দিতে সেনা নিয়ে এগিয়ে আসবে।
তবে ন্যাটোর এক সদস্য আরেক সদস্যের ওপর হামলা চালালে কি হবে, সেটার কোনো জবাব ন্যাটো সনদে নেই। স্বভাবতই, ট্রাম্পের হুমকি জোটকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দেয়। তবে জানুয়ারিতে ওই অবস্থান থেকে সরে আসেন ট্রাম্প।