নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে গ্রামে ফিরতে শুরু করেছেন সাধারন মানুষ ।এতে টঙ্গী এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সুযোগ নিয়ে কিছু পরিবহন মালিক অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন। বাস না পেয়ে অনেকে ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক, পিকআপসহ বিকল্প যানবাহনে বাড়ি ফিরছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্বাচন উপলক্ষে একযোগে গ্রামে ফেরা যাত্রীদের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে দূরপাল্লার বাস পাওয়া যাচ্ছে না। একই অবস্থা রেলপথেও। ট্রেনের অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা টঙ্গী রেলওয়ে জংশনে অবস্থান করছেন যাত্রীরা। বাস ও ট্রেন সংকটের কারণে অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বাহনে যাত্রা করছেন।
টঙ্গী স্টেশন রোড, টঙ্গী বাজার, মিলগেট, চেরাগ আলী, কলেজগেট ও গাজীপুরা এলাকার প্রতিটি বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। টঙ্গীর বিভিন্ন পোশাক কারখানায় নির্বাচন উপলক্ষে ছুটি ঘোষণার ফলে হাজার হাজার শ্রমিক একযোগে নিজ এলাকায় রওনা হয়েছেন। তবে পর্যাপ্ত পরিবহন না থাকায় বিপাকে পড়েছেন তারা।
পোশাককর্মী সাদেক আলী বলেন, সকাল থেকে টঙ্গী স্টেশন রোডে বাসের জন্য অপেক্ষা করেছি। বাস না পেয়ে বাধ্য হয়ে পিকআপে করে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে বাড়ি যাচ্ছি। সাধারণত ময়মনসিংহ যেতে বাসভাড়া ২০০ টাকা হলেও আজ ৫০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। পিকআপে ৪০০ টাকা দিতে হচ্ছে।
ট্রেনে বাড়ি ফিরতে এসে হতাশ হয়েছেন অনেক যাত্রীও। জামালপুরগামী যাত্রী আল-আমিন ও বিলকিস বলেন, ভোর থেকে দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার ট্রেনের অপেক্ষায় আছি। তিনটি বাজার পার হলেও এখনো ট্রেনে উঠতে পারিনি।
এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের (টঙ্গী জোন) পরিদর্শক জহির মজুমদার বলেন, নির্বাচনের কারণে রাতে অধিকাংশ দূরপাল্লার বাস দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছেড়ে গেছে। সেগুলো এখনো ফিরে আসেনি। এ কারণে বাসের সংকট তৈরি হয়েছে। যাত্রীরা বিকল্প যানবাহনে করে বাড়ি ফিরছেন।