নরসিংদীর রায়পুরায় এক যুবতি রাতে প্রকৃতির ডাকে ঘর হতে বাহির হইলে ৫যুবক মিলে মুখ চেপে তুলে নিয়ে যায়, তাদের বিরোদ্ধে শ্লীলতা হানির অভিযোগে থানায় মামলা আসামীরা হলেন রাহিম, মাহাবুবুর রহমান, ত্রিদাস,সাজিদ,শাহপরান। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে স্থানীয় লোকজন রাহিম, মাহাবুবুর রহমান, ত্রিদাস ৩জনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। বাকিরা আসামীরা পলাতক রয়েছে।
এ মামলার বাদী জানান, নরসিংদীর রায়পুরা থানার চরমধুয়া ইউনিয়নের চরমধুয়া গ্রামের আঃ হালিম মিয়ার মেয়ে হাফসা আক্তার (১৮) রায়পুরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন,গত ১৫-০১-২০২৬ আনুমানিক রাত ১০টায় আমি প্রকৃতির ডাকে ঘর হতে বাহির হইলে একই এলাকার নরসিংদী জেলা রায়পুরা থানার চরমধুয়া ইউনিয়নের গাজীপুরা গ্রামের মো: হোসেন মিয়ার ছেলে রাহিম (১৮),আইয়ুব মিয়ার ছেলে মাহাবুবুর রহমান(২৮),রইছ উদ্দিন মেম্বারের ছেলে ত্রিসাদ (২০), সমীবাদ গ্রামের নবার বাড়ীর কামাল হোসেন এর ছেলে সাজিদ (১৯), চরমধূয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল তালুকদারের ছেলে শাহপরান(২০) তাদের ৫ জনের বিরোদ্ধে বাদী গত ১৭-০১-২০২৬ তারিখে রায়পুরা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে। রায়পুরা থানা অফিসার ইনর্চাজ মো: মজিবুর রহমান মামলাটি নথীভুক্ত করেন।
পরবর্তীতে উক্ত আসামীরা একে অপরে যোগসাজশে তার ধারনকৃত ভিডিও টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে এলাকায় তুলপার সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় লোকজন আটক করে রাহিম, মাহাবুবুর রহমান, ত্রিদাস ৩জনকে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। বাকী পলাতক আসামী হলেন সাজিদ (১৯), শাহপরান(২০)।
আমি বাদী হয়ে এ মামলার ঘটনার বিবরন তুলে ধরছি, ০২নং আসামী মাহাবুবুর রহমান আমার মুখ চেপে ধরে বাড়ির সামনে খুড়কোটার মাঝখানে নিয়ে গেলে আমাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলিয়া দিলে ০১ নং আসামী রাহিম আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাতে দেয় এবং আমাকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। ০৪ নং আসামী সাজিদ আমার পড়নের কাপড় চাপড় ধরিয়া টানা হেচড়া করিয়া ছিড়ে ফেলে এবং শ্লীলতাহানি করে। ০৫ নং আসামী শাহপরান তাহার হাতে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে ধর্ষনের চেষ্টার ভিডিও ধারন করে এবং আসামীরা বলে যে, তুই যদি আমাদের কথা না শোনস তাহলে তোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দিবো।
০৩ নং আসামী ত্রিসাদ তাহার কোমড়ে থাকা বেল্ট দিয়ে আমাকে এলোপাথারীভাবে এলাকার লোকজন আগাইয়া আসিলে সকল আসামীরা পালিয়ে যায়। আশেপাশের লোকজনের সহায়তায় স্থানীয় ফার্মেসী হতে আমি প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করি। পরবর্তীতে উক্ত আসামীরা একে অপরে যোগসাজশে আমার ধারনকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। আসামীরা আমার পূর্ব পরিচিত। আসামীরা বিভিন্ন সময়ে আমাকে রাস্তা ঘাটে উত্যক্ত করিত। আমি আমার পরিবার এ ঘটনার জন্য অপরাদীদের সুষ্ট বিচারের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবী করছি। রায়পুরা থানা অফিসার ইনর্চাজ মো: মজিবুর রহমান জানান, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে ৩জন আসামীকে আটক করা হয়েছে,বাকীদেরকে ধরার জন্য পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
বশির আহম্মদ মোল্লা