হ্যারি পটার রূপে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পর্দায় শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষকে জাদুর দুনিয়ায় মোহাবিষ্ট করে রেখেছিলেন অভিনেতা ড্যানিয়েল র্যাডক্লিফ। ১২ বছর বয়সে হ্যারি পটারের প্রথম সিনেমায় অভিনয় করা র্যাডক্লিফের বয়স এখন ৩৬। এতদিন পর, তার প্রিয় হ্যারি পটার সিনেমার নামগুলো সামনে আনলেন এই অভিনেতা।
ছেলেদের লাইফস্টাইল ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘মেনস জার্নাল’ জানিয়েছে, এক পডাকাস্টে র্যাডক্লিফ নিজের অভিনয় করা হ্যারি পটারের আটটি সিনেমার মধ্যে সেরাটি বেছে নিয়েছেন। র্যাডফ্লিফ পছন্দের তালিকায় সবার ওপরে রেখেছেন ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোজ–পার্ট টু’। ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমা ছিল হ্যারি পটার সিরিজের শেষ সিনেমা। প্রায় এক দশকের গল্পকথা ও হ্যারি পটারের জীবনের উত্থান পতনের সফল ও সন্তোষজনক সমাপ্তির কারণে র্যাডক্লিফ এই পর্বকে সবার চেয়ে এগিয়ে রাখছেন।
এর আগে, ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড গবলেট অব ফায়ার’ ও ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড প্রিজনার অব আজকাবান’ এর মধ্যে র্যাডক্লিফ গবলেট অফ ফায়ারকে বেছে নেন। যা ছিল ভক্তদের কাছে চমক। সিরিজের তৃতীয় পর্ব ‘প্রিজনার অব আজকাবান’ অনেক সমালোচক ও ভক্তদের কাছে হ্যারি পটারের সেরা সিনেমা। এটিকে বেছে না নেওয়ায় র্যাডক্লিফের অনেক ভক্ত নিরাশ হয়েছেন। চতুর্থ পর্ব ‘গবলেট অব ফায়ারকে’ এগিয়ে রাখার পেছনে র্যাডক্লিফের চুক্তি, “আমি যা যা করতে ভালোবাসি সেটা করার সুযোগ পেয়েছি চতুর্থ পর্বে। অসাধারণ অভিজ্ঞতা ছিল।”
২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘গবলেট অব ফায়ারে’ অভিনয় করার সময় র্যাডক্লিফের বয়স ১৬। তার দাবি, কিশোর বয়সে ওই পর্বে অভিনয় করার আনন্দটা অন্যরকম ছিল। সিরিজে তার সবচেয়ে অপছন্দের সিনেমা বা যেটিকে তিনি সবার শেষে রেখেছেন সেটি হলো ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ ব্লাড প্রিন্স’। ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া এই পর্বটি অবশ্য তার সিনেমা হিসেবে নয়, নিজের অভিনয়ের কারণে অপছন্দ বলে জানিয়েছেন।
র্যাডক্লিফ বলেন, “এটাই আমার কাছে তালিকার সবচেয়ে শেষের সিনেমা। সেটা আমি যা করেছি তার জন্য। সিনেমার জন্য নয়।” র্যাডক্লিফ আরও বলেন সিনেমাটি দেখার সময় নিজের ১৮/১৯ বছর বয়সের অভিনয় বেশ ‘বিব্রতকর’ বা ‘ক্রিঞ্জ’ মনে হয়েছে।” একইভাবে, ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অফ সিক্রেটস’-এ নিজের অভিনয় বেশ মধুর লেগেছে র্যাডক্লিফের কাছে।