NNTV
প্রকাশ : Feb 3, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

চলমান হা'ম'লার হুমকির মধ্যেই তুরস্কে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

যদি শেষ পর্যন্ত বৈঠকটি হয়, তবে তা হবে এক বিরল ঘটনা। কারণ ট্রাম্পের সামরিক হুমকি এবং ইরানের নেতাদের অনড় অবস্থানের কারণে দুই দেশ এখন যুদ্ধের একেবারে দ্বারপ্রান্তে। পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধের আতঙ্ক।

আবারও পারমাণবিক আলোচনা শুরু করছে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আগামী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) তুরস্কের ইস্তাম্বুলে আলোচনায় বসবেন দু’দেশের সরকারি কর্মকর্তারা। সোমবার মধ্যপ্রাচ্যের আরব অঞ্চলের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। 

অপরদিকে একজন আঞ্চলিক কূটনীতিক জানিয়েছেন, সৌদি আরব এবং মিশরের মতো দেশের প্রতিনিধিরাও এতে অংশ নেবেন।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধের পর আবারও কূটনীতি শুরু করতে এবং নতুন আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা দূর করতে চাইছে দেশদুটি। এজন্য মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি ইস্তাম্বুলে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। তুরস্ক এবং অন্যান্য আঞ্চলিক মিত্ররাও উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করেছে বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে। 

কূটনীতিক বলেন, ‘কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মিশর, পাশাপাশি আরও কিছু দেশ ইস্তাম্বুল বৈঠকে যোগ দেবে। দ্বিপাক্ষিক, ত্রিপক্ষীয় এবং অন্যান্য বৈঠক হবে।’


ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ প্রায় দু’ই যুগ ধরে ওয়াশিংটন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তিক্ততা চলছে। গত বছর জুন মাসে এ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতও হয়েছে। ১২ দিনের সেই সংঘাত শেষে যুদ্ধবিরতিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরান।

তবে যুদ্ধবিরতির পরও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে তিক্ততা কমেনি। উপরন্তু গত জানুয়ারির মাঝামাঝি মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রসীমায় যুদ্ধজাহাজের বিশাল এক বহর মোতায়েনের যে নির্দেশ দেন মার্কিন  প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প- তাতে দু’দেশের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা উসকে ওঠে।

এরইমধ্যে গত ১ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, আশা করি ইরানের সঙ্গে আমরা একটি সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছাতে পারবো।

এদিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি বলেছেন, কয়েকটি মিত্রদেশ এ ব্যাপারে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা করছে। তারা আমাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। এটা কঠিন, কিন্তু তারা চেষ্টা করছে। আমার মনে হয়, যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আলোচক দল একটি সুষ্ঠু ও ন্যায়সঙ্গত সমঝোতা চুক্তির প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে আসে- তাহলে ফের আলোচনা হতে পারে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইসরায়েল যদি পুরো পশ্চিম এশিয়া দখল করে তাও আপত্তি নেই আমেরিক

1

ভিসা জটিলতা কাটাতে সরকারের উদ্যোগ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

2

‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

3

নৈতিক স্খলন প্রমাণিত, দল হারালেন জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল

4

হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জন অভিযুক্ত

5

১ ফেব্রুয়ারি নয়, ১ মার্চ থেকে ঢাকা-ম্যানচেস্টার রুটে ফ্লাইট

6

কমলো এলপি গ্যাসের দাম

7

ডা. জুবাইদার স্মৃতিবিজড়িত হোস্টেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

8

গাজা, সুদানে বাংলাদেশের হাফেজ্জী টিম খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে

9

১২ ফেব্রুয়ারিই হবে  নির্বাচন প্রধান উপদেষ্টা

10

খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা শুরু

11

ফের শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান, কম্পনমাত্রা ৬.২

12

অধিভুক্ত কলেজগুলোর জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নির্দেশ

13

২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করা হলো সাত কলেজের আন্দোলন

14

কম পারিশ্রমিকের জন্য প্রযোজকদের দুষলেন অভিনেত্রী কৃতি

15

বিএনপি প্রার্থীকে হুমকি নির্বাচন থেকে বিরত থাকার জন্য

16

পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মধ্যেই নিকোলাস মাদুরোর পাশে দাঁড়া

17

হাদি হত্যাকাণ্ড তদন্তে এফবিআই বা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকে যুক্তস

18

প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ক্যাবিনেট বৈঠকে অংশ নিতে যমুনায় য

19

প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে কৌশলি হতে হবে:

20