বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে রাত জেগে মোবাইল ফোন ব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা কাজ করার প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। অনেকেই এটিকে স্বাভাবিক মনে করলেও বাস্তবতা হলো—দেরিতে ঘুমানো শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
রাতে দেরিতে ঘুমালে শরীরের জৈবঘড়ি বা বায়োলজিক্যাল ক্লক বিঘ্নিত হয়। এর ফলে হরমোনের স্বাভাবিক নিঃসরণ ব্যাহত হয়, বিশেষ করে মেলাটোনিন হরমোনের উৎপাদন কমে যায়। এই হরমোন ঘুমের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
নিয়মিত দেরিতে ঘুমানোর ফলে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং বিষণ্নতার সমস্যাও দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম সুস্থ থাকার জন্য অপরিহার্য।