কয়েকদিন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় মনে হচ্ছিল শীত যেন বিদায় নেবে,কিন্তু শুক্রবার সকালে ঘুম ভাঙতেই দেখা মিলল কনকনে ঠান্ডার। উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হাওয়ায় জনজীবন প্রায় স্থবির ঠাকুরগাঁয়ের।
সকাল সাড়ে ৯টার পরও সূর্যের দেখা মেলেনি। ঘন কুয়াশার কারণে হাত দূরের জিনিসও ঠিকমতো দেখা যাচ্ছে না। ছুটির দিন হলেও পাড়ার মাঠগুলোতে শিশু-কিশোরদের খেলার শোনা যায় না; রাস্তাঘাটে মানুষের আনাগোনা সীমিত।
স্থানীয়দের অভিজ্ঞতা বলছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ সকালের পারদ পতন যেন মাঘের সেই পুরনো প্রবাদকেই সত্যি প্রমাণ করছে।
গত তিন সপ্তাহে অনুকূল আবহাওয়ায় কৃষিকাজ তুঙ্গে উঠেছিল। বোরো মৌসুমের কাজ শুরু হতে চলেছে। কিন্তু হঠাৎ তাপমাত্রা পতন চাষিদের চিন্তায় ফেলেছে। কুয়াশা দীর্ঘস্থায়ী হলে আলু ও অন্যান্য রবি শস্যের ক্ষতি হতে পারে এবং বোরো ধানের রোপণও পিছিয়ে যেতে পারে।
স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাজেদুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে তিনি আশাবাদী, রোদ উঠলেই পরিস্থিতি দ্রুত বদলাবে।