দিনাজপুরের পার্বতীপুরে সিলিং ফ্যানের সাথে বাঁধা গলায় ওড়না প্যাঁচানো মা মেয়ের ঝুঁলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল সোমবার রাতে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের কালিরহাট ছোট চন্ডিপুর গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মৃতরা হলেন- পার্বতীপুরের কালিরহাট গ্রামের নিপেন চন্দ্র রায়ের স্ত্রী ছবিতা রানী রায় (৩৩) এবং তাদের মেয়ে পল্লবী রায় (১৪)। ছবিতা রানী গৃহিণী ছিলেন। আর পল্লবী স্থানীয় বারাই গোল্ডেন হোপ স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়রা জানান, পল্লবী রায় একই স্কুলের এক ছাত্রকে পছন্দ করত। গত ১৯ জুন তার সঙ্গে পালিয়ে যায়। পরে দুই পরিবারের লোকজন তাদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। এরপর থেকে পল্লবী রায়কে তার পরিবারের লোকজন চোখে চোখে রাখত। এ নিয়ে তাদের পরিবারে প্রতিদিনই কোনো না কোনো ঝগড়া লেগেই থাকতো। এ নিয়ে মা ছবিতা রানী রায় ও মেয়ে পল্লবী রায় দুইজন দুটি ওড়না দিয়ে ঘরে একই ফ্যানে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে।
পার্বতীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা খবর পেয়ে মা ও মেয়েকে দুটি ওড়না দিয়ে ঘরে ফ্যানের সাথে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমার ধারনা, আগে মেয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার পর মা আত্মহত্যা করেছেন।