চলতি বোরো মৌসুমে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় ধান কাটায় এখন পুরোদমে ব্যস্ত কৃষকরা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে চলছে ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানোর কাজ। কাঁচা-পাকা সোনালি ধানে ভরে উঠেছে উপজেলার বিস্তীর্ণ হাওর ও মাঠ।
উপজেলার চাউলধনী হাওরসহ বেলার হাওর, মাদাইর হাওর, করইশাইল, তেরাছাপা ও অন্যান্য এলাকায় কম্বাইন হারভেস্টার ও শ্রমিকদের মাধ্যমে ধান কাটার কাজ চলছে। মাড়াই শেষে ধান শুকানো ও খড় সংরক্ষণেও ব্যস্ত কৃষক পরিবারগুলো।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৩০০ হেক্টর, তবে আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ৩০৪ হেক্টর জমিতে। ইতোমধ্যে প্রায় ৪১ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। কৃষকরা জানান, এবার ফলন ভালো হলেও উৎপাদন খরচ ও ধানের ন্যায্যমূল্য নিয়ে তারা কিছুটা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। অনেকেই বলেন, বিঘা প্রতি ১৮–২০ মন পর্যন্ত ফলন পাচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিল্লাল হোসাইন বলেন, এবার ধানের ফলন সন্তোষজনক। কম্বাইন হারভেস্টার ব্যবহার করার মাধ্যমে দ্রুত ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে এবং কৃষকরাও উপকৃত হচ্ছেন।
অন্যদিকে কৃষি উদ্যোক্তারা বাজারে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বলেন, উৎপাদন খরচ বাড়লেও ধানের দাম সেই অনুপাতে না বাড়ায় কৃষকেরা চাপের মধ্যে রয়েছেন। সার্বিকভাবে ভালো ফলনের কারণে কৃষকদের মাঝে স্বস্তি থাকলেও বাজারমূল্য নিয়ে উদ্বেগ এখনো রয়ে গেছে।