NNTV
প্রকাশ : Jan 22, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

আমিরাতের চাকরির বাজার বদলাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দক্ষতায়

সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে সংযুক্ত আরব আমিরাতের চাকরির বাজারে বড় ধরনের রূপান্তরের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)–সংক্রান্ত দক্ষতা এখন আর অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না; বরং চাকরিপ্রার্থীদের প্রাথমিক বাছাই প্রক্রিয়াতেই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় এআই দক্ষতার অভাব থাকলে প্রার্থীরা শুরুতেই চাকরির দৌড় থেকে ছিটকে পড়ছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমিরাতের চাকরির বিজ্ঞাপন ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তিনির্ভর কাজের উল্লেখ দ্রুত বেড়েছে। এমনকি যেসব পদ ঐতিহ্যগতভাবে প্রযুক্তিভিত্তিক নয়, সেখানেও এখন স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রক্রিয়া উন্নয়ন সংক্রান্ত সক্ষমতা গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রায় প্রতি দশটি চাকরির বিজ্ঞাপনের একটিতে স্বয়ংক্রিয় বা প্রযুক্তিনির্ভর কাজের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

নিয়োগ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গত এক বছরে নিয়োগদাতাদের ভাষা ও চাহিদায় স্পষ্ট পরিবর্তন এসেছে। এখন শুধু অভিজ্ঞতা বা পদবির দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে না বরং প্রার্থী কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কাজের গতি, মান ও দক্ষতা বাড়াতে পারে, সেটিই হয়ে উঠেছে মূল বিবেচ্য বিষয়। এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, অর্ধেকের বেশি নিয়োগদাতা জানিয়েছেন- প্রাথমিক বাছাইয়ের সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরও জানা গেছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপেও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রার্থী খোঁজা থেকে শুরু করে জীবনবৃত্তান্ত যাচাই পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রেই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ছে। এর ফলে যেসব প্রার্থীর এই বিষয়ে ধারণা ও অভিজ্ঞতা আছে তারা স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে থাকছেন।

অন্য এক গবেষণায় দেখা গেছে, অঞ্চলের অধিকাংশ পেশাজীবী এখন নিয়মিতভাবে কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছেন এবং এর মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা ও কাজের মান উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে নিয়োগদাতাদের কাছে এই দক্ষতা এখন আর বাড়তি কিছু নয় বরং একটি মৌলিক প্রত্যাশায় পরিণত হয়েছে।

সব মিলিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে প্রার্থীদের কেবল অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করলে চলবে না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ও প্রযুক্তিনির্ভর কাজের সক্ষমতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারলেই বাছাই তালিকায় জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রংপুরে ‘ট্রান্সফরমার চুরি করতে’ সেচঘরে থাকা কৃষককে ‌হত্যা

1

সুদানে স্কুলে ড্রোন হামলা, শিশুসহ অন্তত অর্ধশত প্রাণহানি

2

বাংলাদেশ নির্বাচনে জয়ী প্রার্থী সাথে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র-ম

3

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৭ জন গ্রেফতার

4

আরও ৬ ফ্লাইট বাতিল ,শাহ আমানত বিমানবন্দরে

5

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছে

6

কাতারের দোহায় হবে মেসি-ইয়ামালের লড়াই

7

ইংল্যান্ডে ১৭ বছর পর টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ

8

ইউনূস পরিবারের সদস্যসহ ৭ শতাধিক নেতাকর্মী যোগ দিলেন এনসিপিতে

9

২৬ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করল সুইডেন

10

বোয়ালখালীতে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল দোকান

11

অভিনেতা আরিফিন শুভ শুটিং সেটে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন

12

২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু ৫ জনের

13

বস্ত্র খাতের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে দিলেন প্রধানমন্

14

হবিগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু, আহত ৩

15

সাজানো ঘর মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে ধ্বংসযজ্ঞে

16

খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা শুরু

17

ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

18

পটিয়া চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের নবনির্ব

19

আমির খান  কী তৃতীয় বিয়ের তে আবদ্ধ হতে যাচ্ছে

20