গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা । ফ্রান্স এ বিষয়ে তার অংশীদারদের সঙ্গে একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট। বুধবার তিনি বলেছেন, জার্মানি এবং পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে উত্থাপন করা হবে এ বিষয়টি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেনমার্কের দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড দখল বা অধিগ্রহণের বিষয়ে বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ। এই বিকল্পগুলোর মধ্যে সামরিক বাহিনী ব্যবহারের বিষয়টিও রয়েছে। হোয়াইট হাউজ বিবিসিকে জানিয়েছে, ডেনমার্কের অধীনে থাকা আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনাটা তাদের কাছে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি বিষয়গুলোর একটি।
এদিকে, গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন বলেছেন, ভেনেজুয়েলার মতো গ্রিনল্যান্ডে 'রাতারাতি দখলের' পরিস্থিতি নেই যুক্তরাষ্ট্রের। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের বদলে সরাসরি যোগাযোগ হওয়া উচিত। গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে নিলসেন জানান, আমাদের দেশকে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে তুলনা করা ঠিক নয়। আমরা একটি গণতান্ত্রিক দেশ এবং বহু বছর ধরেই তা বজায় আছে। সাম্প্রতিক মার্কিন বক্তব্য ঘিরে উদ্বেগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। পরিস্থিতি এমন নয় যে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড দখল করে নিতে পারে। এটি বাস্তবতা নয়। তাই আমাদের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং আমরা যে ভালো সহযোগিতার সম্পর্ক ছিল, সেটি পুনরুদ্ধার করা উচিত।
নিলসেন বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড একটি বিশেষ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং জনসাধারণের উদ্বেগ আমি পুরোপুরি বুঝতে পারছি।’ সামরিক সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা-কল্পনাও নাকচ করেন গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রথমেই আমি বলতে চাই, এই দেশে সম্ভাব্য বা কাল্পনিক সামরিক অভিযানের কথা বলা উপযুক্ত নয়।
মন্তব্য করুন