নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পলাশতলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদে মো. মোবারক হোসেন কবিরকে দেখতে চায় স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ।
দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় থাকা এই নেতাকে নেতৃত্বে দেখতে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সময়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে মো. মোবারক হোসেন কবির নানাভাবে রাজনৈতিক নিগ্রহ, মামলা-হামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন।
এমনকি বিভিন্ন সময় কারাভোগও করতে হয়েছে মো. মোবারক হোসেন কবির। রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় পালিয়ে থেকেও দলীয় কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন বলে দাবি করেন নেতাকর্মীরা।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও দলীয় প্রতি নিষ্ঠার কারণে পলাশতলী ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে এই নেতাকে দেখতে চান তারা। এতে করে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রম গতিশীল হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতা জানান, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে মো. মোবারক হোসেন কবির গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন।
তাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. মোবারক হোসেন কবিরকে দায়িত্ব দেওয়া হলে সংগঠন আরও গতিশীল হবে এবং জনগণের সেবা কার্যক্রম জোরদার হবে তিনি করেন।
স্থানীয়রা আশা করছেন, দলীয় নেতৃত্ব তৃণমূলের এই প্রত্যাশার বিষয়টি বিবেচনা করবে এবং পলাশতলী ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে যোগ্য ও পরীক্ষিত নেতাকে দায়িত্ব প্রদান।
পলাশতলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদপ্রার্থী মো. মোবারক হোসেন কবির সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ' স্বৈরশাসকের আমলে আমি দুইবার কারবরণ করেছিলাম; ১৮ সালে নির্বাচনী প্রচারণাকালে রাজাগঞ্জ বাজার হতে আমাকে আটক করে পুলিশ এবং পরবর্তীতে ২২ সালে ঢাকা হতে আটক করে আমাকেসহ আরো কয়েকজনকে। বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ দল বিএনপির সেবামূলক কার্যক্রম মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে একঝাঁক নবীন প্রবীন নেতা ও সহযোগী নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছি। নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করে ধানকে জয়ী করেছি। সামনে দায়িত্ব নিয়ে আমি পলাশতলী ইউনিয়ন বিএনপির তৃণমূল নেতৃবৃন্দসহ জনগনের সাথে কাজ করত চাই।"
পলাশতলী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী মো. মনির হোসেন,
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সদস্য মো. মোবারক হোসেন ফরাজি, পলাশতলী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সাদেক মিয়া, রায়পুরা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোশারফ হোসেন, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি পলাশতলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. কাজল মিয়া, পলাশতলী ইউনিয়ন মৎসজীবী দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মতিন মিয়াসহ মো. জজ মিয়া, মো. কাজল মিয়া, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, পলাশতলী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল, মনির হোসেন, মো. সোহেল মিয়া, কবির হোসেন, আশরাফুল ইসলাম, আবু হানিফা, হুমায়ুন কবির, মামুন, এড. মামুন, শুক্কুর আলী, আসদুল ইসলাম, বাবুল মিয়া, নাসিম মিয়া, আবদুল জলিল মিয়া, পলাশতলী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোবারক হোসেন প্রমূখ।