NNTV
প্রকাশ : Jan 9, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

শ্রীমঙ্গলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন দমনে ইউপি চেয়ারম্যান মতলিবকে ঘিরে প্রশ্ন!

আওয়ামী লীগের শাসনামলে সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম-নির্যাতন, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত ভূমিকা রাখা এক নেতাকে ঘিরে জনমনে নানান প্রশ্ন উঠেছে জনমনে! অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলার ৫নং কালাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মতলিবের বিরুদ্ধে।

সাধারণ মানুষের অভিযোগ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শ্রীমঙ্গল শহরের চৌমুহনী এলাকায় প্রকাশ্যে তাঁর অনুসারীদের নিয়ে আন্দোলন ব্যাহত করার প্রস্তুতিকালে ধারণকৃত একাধিক ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
এছাড়া তাঁর শক্তির উৎস হিসেবে বিএনপি'র নাম ভাঙ্গিয়ে চলা কিছু বিতর্কিত ও চাঁদাবাজ প্রকৃতির ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, এরা সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করছে এবং তদবির নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশাসনিক মহলে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ভয়ের কারণে অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। 
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী আত্মগোপনে থাকলেও তিনি কীভাবে প্রকাশ্যে দাপটের সঙ্গে চলাফেরা করছেন?
অভিযোগ রয়েছে, ২০১৩ সালে কালাপুর এলাকায় বিএনপিকে সমর্থনের অভিযোগে নিরপোরাধ সাধারণ মানুষকে মিথ্যা নাশকতা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হয়। ওই মামলার ষড়যন্ত্রের অন্যতম হোতা ও রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দেন এম এ মতলিব নিজেই। এতে বিএনপি করার দায়ে নিরপোরাধ তিনজন—কালাপুরের মৃত জব্বার মিয়ার ছেলে জমশেদ মিয়া (৪০), মৃত মছরব মিয়ার ছেলে সালামত মিয়া (৫৫) এবং মৃত আনর মিয়ার ছেলে তাজ উদ্দীন মিয়া (৫০)—সাত মাস কারাবাস ভোগ করেন। ওই মামলায় আরও বহু সাধারণ মানুষকে জড়িয়ে এবং দীর্ঘদিন ঘরছাড়া হয়ে আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, বর্তমানে তিনি পূর্বের কৌশলেই প্রভাব বিস্তার করে নানা উপায়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে এক নাবালক কিশোরের বিরুদ্ধেও কিশোর গ্যাং সংশ্লিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শিকার হন কালাপুরের শামছুল ইসলামের ছেলে জুবেদ আহমেদ (১৬)।
এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন খাতের সরকারি বরাদ্দ যথাযথ কাজে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রশাসনিক তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাঁকে আইনের আওতায় আনা হোক।
এব্যাপারে আজ শুক্রবার (৯ই জানুয়ারি) শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না'র সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমি এ বিষয়ে অবগত নই , তবে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের পক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


তিমির বনিক

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এমবাপ্পেকে পেছনে ফেললেন মেসি

1

জনগণের শক্তির কাছে পরাজিত হবে ষড়যন্ত্রকারীরা : আমীর খসরু

2

প্রথম দফায় হরমুজ প্রণালীর টোল থেকে আয় পেল ইরান

3

বরিশালে ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

4

ডেইলি স্টারের সামনে নাজেহাল হলেন সাংবাদিক নূরুল কবীর

5

শিল্পকলা একাডেমিতে আজ থেকে শুরু হচ্ছে নিয়মিত কার্যক্রম

6

এবার বড় বাজেটে রোমান্টিক সিনেমায় শাহরুখ খান

7

নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়া হত্যা: পরকীয়া প্রেমিক গ্র

8

১১৬ আসনে পৌঁছেছে ব্যালট পেপার

9

শাস্তি পেতে হবে অভ্যুত্থানচেষ্টায় দায়ী সবাইকে: প্যাট্রিস তাল

10

দ্য গার্ডিয়ান: ভারতে অবস্থান করে ক্ষমতায় ফেরার কৌশল সাজাচ্ছে

11

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন

12

সত্যবাদিতা: কুরআন ও হাদিসের আলোকে একটি আদর্শ জীবনব্যবস্থা

13

চান্দ্রা বাজার মানব কল্যাণ সংগঠনের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীত

14

চেলসি থেকে বিদায় নিলেন এনজো মারেস্কা !

15

‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু

16

উজ্জ্বল নক্ষত্র একুশে পদকপ্রাপ্ত ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া আর ন

17

সাবেক দুই মন্ত্রীসহ ২২ জনের বিচারে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী

18

আর্সেনালকে সরিয়ে শীর্ষে উঠে এলো ম্যানসিটি

19

শূন্য থেকে শুরু হবে,রিয়ালের নতুন কোচ আরবেলোয়া

20