কুষ্টিয়া জেলাজুড়ে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের চরম সংকট দেখা দিয়েছে।
সরকারি হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ বেসরকারি ফার্মেসিতেও ভ্যাকসিনের সরবরাহ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত রোগীরা সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।দীর্ঘদিন ধরে ভ্যাকসিনের ঘাটতির কারণে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী হাসপাতালে এসেও ভ্যাকসিন না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অনেককে বাধ্য হয়ে ঝিনাইদহ, রাজশাহী এমনকি ঢাকায় আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে হচ্ছে।মায়ের জন্য ভ্যাকসিন নিতে আসা মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম বলেন, “আমার মাকে কয়েকদিন আগে বিড়াল কামড়েছে। দুই ডোজ দেওয়া হলেও তৃতীয় ডোজের জন্য কোথাও ভ্যাকসিন পাচ্ছি না। কুষ্টিয়ার একাধিক ফার্মেসি ও কোম্পানির ডিপো ঘুরেও ব্যর্থ হয়েছি।”একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে মোহাম্মদ শাহিন ইকবাল শান্ত বলেন, “তিন দিন পর ঝিনাইদহ থেকে এক হাজার টাকা দিয়ে ভ্যাকসিন আনাতে হয়েছে। একটি মেডিকেল জেলায় এমন পরিস্থিতি লজ্জাজনক।”কুষ্টিয়া শহরের একাধিক ফার্মেসির মালিক জানান, ইনসেপ্টা ও পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালের অনিয়মিত সরবরাহের কারণে সংকট আরও বেড়েছে। কোনো বিকল্প না থাকায় রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন।কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গত বছরের নভেম্বর থেকেই সরকারি পর্যায়ে ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সংকট নিরসনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।