প্রিন্ট এর তারিখঃ Nov 5, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Nov 5, 2026 ইং
হরমুজের নিকটবর্তী এলাকায় যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী এলাকায় নৌবিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ, পি-৮ টহল বিমান এবং বোমা নিষ্ক্রিয়করণ বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। তবে ইরান বিরোধী কোনো সামরিক অভিযানে জড়াবে না কিংবা বন্ধ থাকা হরমুজ প্রণালির অভ্যন্তরে কোনো অপারেশনে অংশ নেবে না বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার জানান, আন্তর্জাতিক জলপথ মুক্ত রাখতে এবং ওমানের দুকম বন্দরের কাছাকাছি অঞ্চলে তাদের চেওংহে জলদস্যুবিরোধী ইউনিটের কার্যপরিধি বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্দরটি হরমুজ প্রণালি থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের বরাতে জানা গেছে, এই বর্ধিত মিশনে একটি ডেস্ট্রয়ার, একটি পি-৮এ সামুদ্রিক টহল বিমান, একটি এক্সপ্লোসিভ অর্ডন্যান্স ডিসপোজাল বা ইওডি দল, মনুষ্যবিহীন ড্রোন চালিত জলযান ও সাবমেরিন এবং দূরনিয়ন্ত্রিত বাহন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে করে ইউনিটে অতিরিক্ত ৭৫ জন সদস্য যুক্ত হয়ে মোট সেনাসংখ্যা দাঁড়াবে ৩৯৫ জনে। তবে চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত অনুমোদিত এই মিশনটির সময়সীমা বাড়াতে সংসদীয় অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন যে, এটি একটি সম্পূর্ণ অ-সংঘাতমূলক মিশন এবং ইউনিটটি মিত্র বাহিনীর সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করবে। দক্ষিণ কোরিয়ার এই টহল এবং যুদ্ধজাহাজ কেবল ওমানের দক্ষিণাঞ্চলের উন্মুক্ত সমুদ্রে অবস্থান করবে এবং তারা কোনো অবস্থাতেই ইরানের ভূখণ্ড, আঞ্চলিক জলসীমা বা প্রণালীর ভেতরের অংশে নজরদারি কিংবা লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করতে পারবে না।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার জানান, আন্তর্জাতিক জলপথ মুক্ত রাখতে এবং ওমানের দুকম বন্দরের কাছাকাছি অঞ্চলে তাদের চেওংহে জলদস্যুবিরোধী ইউনিটের কার্যপরিধি বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্দরটি হরমুজ প্রণালি থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের বরাতে জানা গেছে, এই বর্ধিত মিশনে একটি ডেস্ট্রয়ার, একটি পি-৮এ সামুদ্রিক টহল বিমান, একটি এক্সপ্লোসিভ অর্ডন্যান্স ডিসপোজাল বা ইওডি দল, মনুষ্যবিহীন ড্রোন চালিত জলযান ও সাবমেরিন এবং দূরনিয়ন্ত্রিত বাহন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে করে ইউনিটে অতিরিক্ত ৭৫ জন সদস্য যুক্ত হয়ে মোট সেনাসংখ্যা দাঁড়াবে ৩৯৫ জনে। তবে চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত অনুমোদিত এই মিশনটির সময়সীমা বাড়াতে সংসদীয় অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন যে, এটি একটি সম্পূর্ণ অ-সংঘাতমূলক মিশন এবং ইউনিটটি মিত্র বাহিনীর সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করবে। দক্ষিণ কোরিয়ার এই টহল এবং যুদ্ধজাহাজ কেবল ওমানের দক্ষিণাঞ্চলের উন্মুক্ত সমুদ্রে অবস্থান করবে এবং তারা কোনো অবস্থাতেই ইরানের ভূখণ্ড, আঞ্চলিক জলসীমা বা প্রণালীর ভেতরের অংশে নজরদারি কিংবা লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করতে পারবে না।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকার NNTV