প্রিন্ট এর তারিখঃ Apr 3, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jan 2, 2026 ইং
নৌ উপদেষ্টা বলেছেন হাদির খুনিরা দেশের বাহিরে পালালেও খুঁজে আনা হবে

শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা দেশের বাইরে পালিয়ে থাকলেও তাদের খুঁজে বের করে আনা হবে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, “এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে যারা জড়িত, তাদের মুখোশ উন্মোচিত করা হবে। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়েই পুরো বিষয়টি জাতির সামনে তুলে ধরা হবে।”
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠির নলছিটি লঞ্চঘাটের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি লঞ্চঘাট’ নামকরণের ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন নৌ উপদেষ্টা।
নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, “হাদির নাম এখন আর বাংলাদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, তার নাম বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। পৃথিবী যতদিন থাকবে, বিপ্লবীদের নাম যতদিন স্মরণ করা হবে, ততদিন হাদিকেও মানুষ মনে রাখবে।
তিনি আরও বলেন, যেহেতু শহীদ হাদি নলছিটির সন্তান, তাই তার জন্মস্থানের লঞ্চঘাট তার নামে নামকরণ করা হয়েছে। এটি স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল।
অনুষ্ঠান চলাকালীন নৌ উপদেষ্টার সামনেই হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ব্যানার হাতে বিক্ষোভ করেন তার সহকর্মী ও স্থানীয়রা।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শহীদ হাদির বোন মাছুমা হাদি বলেন, “হাদির মাথায় গুলি চালানো মানে সমগ্র বাংলাদেশ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে জনসম্মুখে বিচারের দাবি জানাই।”
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার ১৭ বছরের শাসনামলে শরীফ ওসমান হাদি ‘সীমান্ত শরিফ’ ছদ্মনামে একটি ফেসবুক আইডি চালাতেন, যেখানে তিনি প্রতিবাদমূলক লেখা লিখতেন। তার লেখাগুলো থেকেই তার রাজনৈতিক অবস্থান বোঝা যায়।
হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত, তা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বের করে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি জানান তিনি।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকার NNTV